বিশ্বে যে ক্যান্সারগুলোর প্রকোপ সবচেয়ে বেশি তার মধ্যে মাথা ও ঘাড়ের ক্যান্সারের অবস্থান অষ্টম। এই ধরনের ক্যান্সার চল্লিশোর্ধ্বদের ক্ষেত্রেই বেশি দেখা যায়। ধূমপান ও মদ্যপানের আধিক্যের ফলে পুরুষদের এই ক্যান্সার সংক্রমণের ঝুঁকি বেশি। মাথা বা ঘাড়ের বিভিন্ন অংশ, যেমন মুখ, গলা, নাকগহ্বর, সাইনাস, লালাগ্রন্থি ও লিম্ফনোডে মাথা ও ঘাড়ের ক্যান্সার হয়।তামাক সেবনের ফলে মাথা ও ঘাড়ের ক্যান্সারের মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি হয়। তামাক জাতীয় পণ্য ধোঁয়াযুক্ত (সিগারেট, সিগার,ই-সিগারেট) বা ধোঁয়া ছাড়া হতে পারে (চিবিয়ে খাওয়া যা...
আরও পড়ুন
আজকে আমরা এক আক্রমণাত্মক ও চ্যালেঞ্জিং ক্যান্সার সম্পর্কে জানব। গ্লিওব্লাস্টোমা এক ধরনের ব্রেইন ক্যান্সার। যুক্তরাষ্ট্রের সিনেটর জন ম্যাককেইন, টেড কেনেডি ও প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের পুত্র বিউ বাইডেন এই মরণব্যধি ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে মারা যাওয়ার পরে গ্লিওব্লাস্টোমা বিশ্বব্যাপী সবার জ্ঞাতার্থে আসে।
২০১৯ সাল থেকে প্রতি জুলাই মাসের তৃতীয় বুধবার গ্লিওব্লাস্টোমা সচেতনতা দিবস হিসেবে পালিত হয়ে আসছে। ব্রেইনের গ্ল্যায়াল কোষে এই ক্যান্সারের উৎপত্তি হয় এবং খুব দ্রুত এর বৃদ্ধি ঘটে ও ছড়িয়ে পড়ার প্রবণতাও থাকে...
আরও পড়ুন
ক্যান্সার কোনো একক রোগ নয় বরং অনেকগুলো জটিল রোগের সমন্বয়। বিভিন্ন জেনেটিক পরিবর্তনের ফলে অনিয়ন্ত্রিত কোষ বৃদ্ধির ফলে ক্যান্সার হয়।
প্রত্যেক ধরনের ক্যান্সারের প্রভাব ও বিস্তার আলাদা আলাদা। কিছু ক্যান্সার কোষ খুব দ্রুত বৃদ্ধি পায় এবং মারাত্মকভাবে ছড়িয়ে পড়ে, আবার কিছু ক্যান্সার খুব ধীরে ধীরে বিস্তার লাভ করে। কিছু বিষয়, যেমন ক্যান্সারের স্টেজ (কোন ধাপে রয়েছে) এবং গ্রেড শরীরে ক্যান্সার ছড়িয়ে পড়ার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
ক্যান্সারকে প্রধাণত দুইভাগে ভাগ করা যায়-
লিক্যুইড ক্যান্সার...
আরও পড়ুন
ক্যান্সার চিকিৎসায় সর্বজন পরিচিত এবং বহুল ব্যবহৃত একটি চিকিৎসা পদ্ধতি হচ্ছে কেমোথেরাপি। কেমোথেরাপি দেওয়ার ফলে রোগীর শারীরিক সুস্থতার পাশাপাশি বেশকিছু পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াও দেখা দেয়। রোগী ভেদে এই পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াগুলো বা এগুলোর তীব্রতা ভিন্ন হয়ে থাকে। রোগীদের সহনশীলতা এবং শরীরের উপর কেমন প্রভাব ফেলবে সেটিও ভিন্ন ভিন্ন হয়ে থাকে।কেমোথেরাপি সম্পন্ন হওয়ার পরে সাধারণত যে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াগুলো হয়-
চুল পড়ে যাওয়া (কেবল মাথার চুলই নয়, ভ্রু এবং শরীরের অন্যান্য অংশ থেকেও চুল পড়ে যেতে পারে)
রক্তকণিকার পর...
আরও পড়ুন
যদি আমরা জানতে চাই যে ক্যান্সার চিকিৎসার উদ্দেশ্য কী? এর উত্তর খুব সহজ-ক্যান্সার থেরাপির কাজ হচ্ছে ক্যান্সার কোষগুলোকে সংকুচিত বা ধ্বংস করার মাধ্যমে ক্যান্সার নিরাময় করা।
কিন্তু এখানে একটি বিষয় রয়েছে যা চাইলেও ঠিক এড়ানো যায় না আর তা হচ্ছে ক্যান্সার চিকিৎসার সময় কিছু সুস্থ কোষও ধ্বংস হয়ে যায়। এই ক্ষতির কারণে নানা রকম পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দেয় যার মধ্যে একটি হচ্ছে খাওয়াদাওয়ার সমস্যা।
এটি স্বাভাবিক যে ক্যান্সার নিয়ে আপনার উদ্বেগ এবং চিকিৎসাজনিত কারণে বমিবমি ভাব লাগতে পারে এবং ক্ষুধামন্দা হতে পা...
আরও পড়ুন