টিউমার হলো কিছু অস্বাভাবিক টিস্যুর সমাবেশ, যেখানে কোষগুলো অস্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় সংখ্যা বৃদ্ধি করে। টিউমারগুলি হাড়, ত্বক, টিস্যু, অঙ্গ এবং গ্রন্থিগুলির ক্ষতি করতে পারে।এটি একটি ভুল ধারণা যে সমস্ত টিউমারই ক্যান্সারে পরিনত হয়, তবে এটি সত্য নয়।
টিউমার ২ প্রকার হতে পারে। যথাঃ
১. বেনাইন টিউমার ( ক্যান্সারমুক্ত টিউমার) যারা বিপজ্জনক নয়।২.ম্যালিগন্যান্ট টিউমার ( ক্যান্সারযুক্ত টিউমার) যারা বিপজ্জনক।
বেনাইন টিউমার যন্ত্রনাদায়ক এবং কিছুটা বিপজ্জনক হতে পারে, কিন্তু তারা ম্যালিগন...
আরও পড়ুন
জরায়ু ক্যান্সার বা সার্ভিকাল ক্যান্সার হল এক ধরনের ক্যান্সার যা জরায়ুর কোষে ঘটে।বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) মতে, জরায়ু মুখের ক্যান্সার বিশ্বব্যাপী মহিলাদের মধ্যে চতুর্থ সর্বাধিক সাধারণ ক্যান্সার, ২০২০ সালে আনুমানিক ৬,০৪,০০০ নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছে এবং ৩,৪২,০০০ জন মারা গেছে। ২০২০ সালে বিশ্বব্যাপী প্রায় ৯০% নতুন রোগী শনাক্ত এবং মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে মধ্যম আয়ের দেশগুলোতে।জরায়ুর ক্যান্সার শুরু হয় যখন জরায়ুমুখ এবং যোনির সংযোগস্থলে সুস্থ কোষ, যা রূপান্তর অঞ্চল নামে পরিচিত, মিউটেশন তৈ...
আরও পড়ুন
বিশ্বব্যাপী প্রতি ৫ জনের মধ্যে ১ জন পুরুষ এবং ৬ জনের মধ্যে ১ জন মহিলা তাদের জীবদ্দশায় কোনো না কোনো ধরনের ক্যান্সারে আক্রান্ত হন। স্ক্রীনিং, প্রাথমিক সনাক্তকরণ, টিকা এবং চিকিৎসায় উন্নতির বদৌলতে বর্তমানে অনেক ক্যান্সার আক্রান্ত রোগীর জীবন বাচানো সম্ভব হচ্ছে। যদিও কিছু ক্যান্সার দ্রুত সময়ে শনাক্ত করলে চিকিৎসার মাধ্যমে নিরাময় করা সম্ভব তবুও ক্যান্সার থেকে বাঁচাতে প্রতিরোধ-ই হচ্ছে সবচেয়ে কার্যকরী পন্থা। ক্যান্সার প্রতিরোধের নিয়মগুলি মেনে চললে ক্যান্সারে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা অনেকখানি কমিয়ে আনা সম্ভ...
আরও পড়ুন
ক্যান্সার একটি দূরারোগ্য ব্যাধি হিসেবে পরিচিত। পুরোপুরি আরোগ্যলাভ সম্ভব না হলেও সুস্থতা ধরে রাখা অনেক ক্ষেত্রেই সম্ভব। আর সেই জন্য প্রয়োজন সঠিক খাদ্য-পথ্য-জীবনাচরণ।
আমাদের দেশে ক্যান্সার সহ যে কোন রোগের রোগীদের অনেকের মধ্যেই সঠিক ও স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসের প্রতি অসচেতনতা ও অবহেলা দেখা যায়। ঈদ এবং অন্যান্য সামাজিক অনুষ্ঠানে সেই অবহেলা যেন হয়ে উঠে আরো ভয়ানক! রসনা তৃপ্তিতে প্রয়োজনের অধিক খাবার গ্রহন তখন সবার ক্ষেত্রেই ভয়াবহ হয়ে ওঠে ঘটে যা অসুস্থ ব্যক্তির ক্ষেত্রে প্রাণঘাত...
আরও পড়ুন
আমাদের জীবনে ক্যান্সার কেবলমাত্র একটি প্রাণঘাতী রোগ নয় বরং এটি একটি অভিশাপ হয়ে দাঁড়িয়েছে। ক্যান্সার একজন ব্যক্তিকে শারীরিক, মানসিক ও আবেগগত দিক দিয়ে পঙ্গু করে দেয়। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ক্যান্সারের চিকিৎসা দীর্ঘমেয়াদি হয়ে থাকে এবং ক্যান্সার রোগীদের বাড়িতেই রাখা হয়; যখন প্রয়োজন হয় অর্থাৎ চিকিৎসার উদ্দেশ্যে সেই সময়গুলোতে কেবলমাত্র হাসাপাতালে নেওয়া হয় তাদেরকে।ক্যান্সার রোগীকে সেবা প্রদানের জন্য একজনকে সর্বদা সেই রোগীর পাশে থাকতে হয়। সার্বিক দিক দিয়ে সহায়তা প্রদানের জন্য কাউকে না কাউকে থাকতেই হয়। আমরা ত...
আরও পড়ুন